ধূমপানে রোগমুক্তি! ধোঁয়া টেনেই শরীর চাঙ্গা করছেন শেনাজ়! কিসের আশায় অভিনেত্রীর সুখটান

ধূমপানে রোগমুক্তি! ধোঁয়া টেনেই শরীর চাঙ্গা করছেন শেনাজ়! কিসের আশায় অভিনেত্রীর সুখটান
অভিনেত্রী ও বিষয়স্রষ্টা শেনাজ় ট্রেজ়ারি। ছবি: সংগৃহীত।

  ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ (সময়ধারা নিউজ):কেরলমের একটি রিট্রিটে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন শেনাজ় ট্রেজ়ারি। সেখানেই আয়ুর্বেদিক ধূমপানে মগ্ন হয়েছেন অভিনেত্রী। বিষয়টি ঠিক কী?

ধূমপান মাত্রই খারাপ অভ্যাস। হার্টের অসুখ থেকে ক্যানসার, ফুসফুস বিকল হয়ে যাওয়া থেকে দাঁত নষ্ট— ধূমপান করলে হাজারটা রোগের ঝুঁকি। তবে কায়দা জানলে ধূমপানও শরীরে ভাল রাখতে পারে! শুনতে অবাক লাগছে নিশ্চয়ই? সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের এক ভিডিয়োতে অভিনেত্রী ও বিষয়স্রষ্টা শেনাজ় ট্রেজ়ারি জানিয়েছেন সুস্থ থাকতে কী ভাবে ধূমপান কাজে আসতে পারে।

কেরলমের একটি রিট্রিটে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন শেনাজ়। সেখানেই আয়ুর্বেদিক ধূমপানে মগ্ন হয়েছেন অভিনেত্রী। ইনস্টাগ্রাম ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, পানপাতার ভিতর থেকে বেরিয়ে আসছে ধোঁয়া আর সেই ধোঁয়া নাক দিয়ে টানছেন শেনাজ়। ভিডিয়োতে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “নাক দিয়ে ধোঁয়া টানলে দারুণ অনুভূতি লাগে। এটাই আসলে মেডিকেটেড স্মোকিং। আয়ুর্বেদে এটা সম্পূর্ণ বৈধ।”

এর উপকারিতা নিয়ে কৌতূহলী হয়ে শেনাজ় সেখানকার চিকিৎসককে জিজ্ঞেস করেন, “এই ধূমপান আমার জন্য কতটা ভাল?” জবাবে চিকিৎসক বলেন, ‘‘এই পদ্ধতি ইন্দ্রিয়গুলিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে, নাকের গহ্বরটি পরিষ্কার করে আর মনকে শান্ত করতেও কাজে আসে।”

ক্যাপশনে শেনাজ় লেখেন, “ধূমপানও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার অংশ হতে পারে! এটা মেডিকেটেড স্মোকিং। চিকিৎসক যখন আমায় প্রাচীন আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে ধূমপান করার অর্থাৎ বিশেষ ভেষজের ধোঁয়া নেওয়ার কথা বললেন, আমিও অবাক হয়েছিলাম। সাধারণত মাথা, নাক ও গলার কিছু সমস্যায় এটি ব্যবহার করা হত। তবে কেউ আবার সিগারেট খাওয়ার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না! আমি সত্যিই আশা করিনি যে, আয়ুর্বেদ ক্লিনিকে এসে এটা করতে হবে!”

আয়ুর্বেদিক ধূমপান হল ভেষজ ধোঁয়া শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করার এক প্রাচীন পদ্ধতি, যা শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে এবং শরীরের সার্বিক উন্নতিতে সাহায্য করে। এটি ক্ষতিকারক তামাক সেবনের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই পদ্ধতিতে হলুদ, নিম, ঘি-এর মতো উপকারী উপাদান দিয়ে তৈরি বিশেষ ভেষজ সলতে পোড়ানো হয়। এই ধোঁয়া নাক দিয়ে টানতে হয় এবং মুখ দিয়ে ছাড়তে হয়। শ্বাসনালির উপরের অংশ পরিষ্কার করা হয় এই পদ্ধতির সাহায্যে। এটি অতিরিক্ত মিউকাস পরিষ্কার করে, বন্ধ নাক খোলে, গলার জ্বালা কমায় এবং ইন্দ্রিয়গুলিকে আরও সক্রিয় করে তোলে।

সূত্রঃ আনন্দবাজার ডট কম